1. admin@coxtimes.com : admin :
শিরোনাম :
সচেতনতায় পুলিশ মাঠে…. করোনার প্রাদুর্ভাব বাড়লেও ঈদগাঁওতে বাড়েনি মানুষের মাঝে সচেতনতা ঈদগাঁওর জনগণকে স্বাস্থ্যবিধি মানাতে মাঠ পর্যায় ইউএনও ঈদগাঁও বাজা‌রে সড়‌কের উপর দোকান নির্মাণ, ভূ‌মি অ‌ফি‌সের নি‌ষেধাজ্ঞা ইসলামের প্রচার-প্রসারে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি: শেখ হাসিনা। হ্নীলার দালাল আবছার রোহিঙ্গা নারীসহ বিমানবন্দরে আটক। জনগণের দুর্ভোগ লাগব করতে দ্রুত টেকসই সড়ক উপহার দিবো -কউক চেয়ারম্যান বিষপানে পুত্রবধূ নাসরিনের আত্মহত্যা সাংসদের ওয়ার্ডের রাস্তার ইট বিক্রি করে দিল মেম্বার! ইসলামবাদে (ব্র্যাক)আইন সহায়তা বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত কক্সবাজারে যুবককে শিকল দিয়ে বেঁধে বর্বর নির্যাতন। সেনাবাহিনীর নব প্রধান হচ্ছেন এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ। ঝালকাঠিতে উপায়’র মাধ্যমে ট্রাফিক মামলার জরিমানা পরিশোধে ঝালকাঠি জেলা পুলিশের চুক্তি

জাতীয় ঐক্য ও শান্তি প্রতিষ্ঠার আহবান, বাংলাদেশ শান্তির দল

  • আপডেট টাইম: Sunday, September 20, 2020
  • 154 বার পড়া হয়েছে


বিগত ২৬শে ডিসেম্বর, ২০১৩ ইং সালে জাতীয় প্রেস ক্লাবে এবং সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে দলের আহবায়ক ও বর্তমান চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট সৈয়দ আবদুল্লাহ সহিদ এর নেতৃত্বে সত্যের আগমন ও মিথ্যার বিদায় -এর এক স্লোগান নিয়ে বাংলাদেশ শান্তির দলের আত্মপ্রকাশ ঘটে। প্রকাশকালে আইনজীবী, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, সাংবাদিক, শিক্ষক, ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন শ্রেণীও পেশার লোকজনদের নিয়ে ১০৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি কেন্দ্রীয় আহবায়ক কমিটি গঠিত হয়। প্রকাশলগ্ন থেকে এই দল দেশের সার্বিক কল্যাণ ও মুক্তির জন্য দলের ঘোষণাপত্র ও গঠনতন্ত্রে ৬টি মূলনীতি ও ১৯ দফার এক জাতীয় রাজনৈতিক কর্মসূচী ঘোষণা করে। এই দলের মতে ৩০ লক্ষ শহীদের পবিত্র রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতার লক্ষ ও সুফল আজ পর্যন্ত অর্জিত হয় নাই। বাংলাদেশে মান সম্পন্ন গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয় নাই, তাই স্বাধীনতার ৫০ বছরের মধ্যে কখনো একবারের জন্যও দলীয় সরকারের অধীনে সরকারী দল ব্যতীত কোন বিরোধী দল নির্বাচিত হয়ে সরকার গঠন করতে পারে নাই। বাংলাদেশে দুর্নীতি ও ঘুষ এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে ২টি বৃহৎ রাজনৈতিক দলের নেতৃত্বে বাংলাদেশ বিশ্বে পরপর পাঁচবার দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ান হয়েছে এবং আজও বিশ্বের অন্যতম একটি দুর্নীতিগ্রস্থ দেশ। দেশে সরকারী কাজে ব্যাপক ঘুষ বাণিজ্য, চাকুরীতে নিয়োগ বাণিজ্য, মাদক আগ্রাসন, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজী, টেন্ডারবাজী, ভুমী দুস্যতা, ব্যাপক হারে ব্যাংকের টাকা আত্মসাত, শেয়ার বাজার কেলেংকারী, খাদ্যে ভেজাল-ফরমালিন মিশ্রণ, গুম, খুন, নারী-শিশুপাচার ও নির্যাতন সহ বিভিন্ন অন্যায় ও অপরাধে দেশে এক চরম বিপর্যয়কর রূপ ধারণ করেছে, যাতে স্বাধীনতার লক্ষ্য ও সুফল অর্জন ব্যহত হচ্ছে। তাই বাংলাদেশ শান্তির দল বাংলাদেশে গণতন্ত্র ও সুস্থ রাজনৈতিক ব্যবস্থার মাধ্যমে অর্থনৈতিক মুক্তি, সুষম বন্টণ, সকলের জন্য অর্থনৈতিক ও আইন শৃঙ্খলা জনিত নিরাপত্তা ও সুনীতি, সুশাসন, সুবিচার ও শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য দলীয় গঠনতন্ত্র ও ঘোষণাপত্রে ৬টি মূলনীতি ও ১৯ দফার এক বৈপ্লবিক কর্মসূচী ঘোষণা করেছে।
বাংলাদেশ শান্তির দলের ৬টি মূলনীতি- মুক্তিযুদ্ধের চেতনার আলোকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্বে ও রাষ্ট্রীয় অখন্ডতা সমুন্নত রাখা, মান সম্পন্ন ও শান্তিপূর্ণ গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক ব্যবস্থা চালু করা, দেশে সুনীতি, সুশাসন, সুবিচার ও শান্তি প্রতিষ্ঠা করা, মুক্ত অর্থনীতি উন্নয়ন, কর্মসংস্থান ও সুষম বন্টনের মাধ্যমে সকলের জন্য অর্থনৈতিক মুক্তির নিশ্চয়তা বিধান করা, সামাজিক নিরাপত্তা তহবিলের মাধ্যমে সকলের জন্য মৌলিক চাহিদা জনিত অর্থনৈতিক নিরাপত্তা বিধান করা এবং দুষ্টের দমন ও শিষ্টের পালন নীতির মাধ্যমে জনগণের জান ও মালের আইনশৃঙ্খলা জনিত নিরাপত্তা বিধান করা ও ইসলামী মূল্যবোধ এবং সকল সম্প্রদায়ের ধর্মীয় স্বাধীনতার নিশ্চয়তা বিধান করা।
বাংলাদেশ শান্তির দলের ১৯ দফা- দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় শক্তিশালী স্বশস্ত্র বাহিনী গড়ে তোলা ও জনগণের মধ্যে জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠা করা, রাজনীতিতে কালো টাকা, পেশী শক্তি ও রাষ্ট্রীয় শক্তির অপব্যবহার অবসান করা, খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসা জনিত মৌলিক চাহিদা পূরণ ও সহজলভ্য করা, শতভাগ শিক্ষা এবং যুগোপযোগী সাধারণ ও কারিগরী শিক্ষা প্রণয়ন করা, মুক্ত অর্থনৈতিক ব্যবস্থার আলোকে কৃষি, শিল্প ও ব্যবসা-বাণিজ্যের উন্নতি করা, গণমুখী ও জবাবদিহিমূলক দক্ষ প্রশাসন ব্যবস্থা গড়ে তোলা, ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে স্বতন্ত্র ও স্বাধীন বিচার ব্যবস্থা গড়ে তোলা, জাতীয় বেতন স্কেলের সহিত সামজ্ঞস্যতাক্রমে গার্মেন্টস সহ সকল শ্রমিকের বেতন নির্ধারণ করা, তেল, গ্যাস, প্রাকৃতিক ও খনিজ সম্পদ উত্তোলনে জাতীয় স্বার্থরক্ষার্থে কোন বিদেশী রাষ্ট্র আন্তর্জাতিক বিধি ও রীতিনীতির বাইরে যেন অধিক মুনাফা নিতে না পারে তার ব্যবস্থা গ্রহণ করা, দুর্নীতি ও ঘুষমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলা, নারী-শিশু পাচার ও নির্যাতন বন্ধ করা, সকল প্রকার খাদ্য ভেজালমুক্ত করা, মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে বাংলাদেশে মাদক অনুপ্রবেশ ও বিক্রয় বন্ধ করা, চাঁদাবাজী, টেন্ডারবাজী, সন্ত্রাস, গুম, খুন, চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই ও অপহরণ সহ সকল প্রকার অপরাধ বন্ধ করা, ব্যাংকে টাকা আত্মসাৎ, শেয়ারবাজার কেলেংকারী, ভুয়া মাল্টিলেভেল মার্কেটিং কোম্পানি কর্তৃক জনগণের টাকা আত্মসাৎ ও ব্যক্তি পর্যায়ে সুদের ব্যবসা বন্ধ করা, অসহায় মানুষের অর্থনৈতিক নিরাপত্তার জন্য সামাজিক নিরাপত্তা ফান্ড গড়ে তোলা, স্বেচ্ছা তহবিল গঠন ও যাকাত আদায়ক্রমে আর্থিক অনুদান প্রদান করা, ইসলামী মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা করা ও সকল সম্প্রদায়ের ধর্মীয় স্বাধীনতা রক্ষা করা এবং জাতীয় স্বার্থ অক্ষুন্ন রেখে সম মর্যাদার ভিত্তিতে পররাষ্ট্র নীতি প্রণয়ন করা।
বাংলাদেশ শান্তির দল ন্যায়ের আদেশ ও অন্যায়ের নিষেধের মাধ্যমে সত্য প্রতিষ্ঠাক্রমে মিথ্যা বিদুরীত করে বাংলাদেশকে একটি শান্তিময়, নিরাপদ ও সমৃদ্ধশালী রাষ্ট্রে পরিণত করতে ছাত্র, যুব, বুদ্ধিজীবী, পেশাজীবী, কৃষক, শ্রমিক সহ সকলকে বাংলাদেশ শান্তির দলের পতাকাতলে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানান।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
Customized BY NewsTheme