1. admin@coxtimes.com : admin :
শিরোনাম :
সচেতনতায় পুলিশ মাঠে…. করোনার প্রাদুর্ভাব বাড়লেও ঈদগাঁওতে বাড়েনি মানুষের মাঝে সচেতনতা ঈদগাঁওর জনগণকে স্বাস্থ্যবিধি মানাতে মাঠ পর্যায় ইউএনও ইসলামাবাদ ইউনিয়ন আ,লীগের উদ্যোগে ৭২ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত নৌকার বিদ্রোহী প্রার্থীদের দলীয় পদ পদবীর বিষয়ে অসনি সংকেট ছয় দফা দাবীতে সিবিআইইউ শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন। ইসলামাবাদে গভীর রাতে সশস্ত্র হামলাঃনগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুটের অভিযোগ! পশ্চিম টেকপাড়া সমাজকল্যাণ পরিষদ কর্তৃক শহর পুলিশ ফাঁড়ি কক্সবাজার এর সাথে মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। ঈদগাঁও প্রেস ক্লাবের জরুরী সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত ঈদগাঁওতে পরিবেশ আন্দোলনের মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত। ঈদগাঁওর বাঁশঘাটায় তিনটি দোকান সিলগালা বাঁশখালী ছনুয়ার মানুষের যোগাযোগ সড়কের বেহাল দশা অবসানের পথে ইসলামাবা‌দের আ‌লো‌চিত জবর মুল্লুক হত্যা মামলার আসামী‌দের রিমা‌ন্ডে নি‌তে গ‌ড়িম‌সি পু‌লি‌শের !

আমলা, দলীয় নেতাদের নাম ভাঙিয়ে মাদক ব্যবসা করে ইসলামপুরের শাহ বেলালঃ আটককৃত ট্রাক হেলপারের চাঞ্চল্যকর তথ্য!

  • আপডেট টাইম: Thursday, October 1, 2020
  • 468 বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

কখনো আওয়ালীলীগের নেতা, কখনো আমলাদের আস্তাবাজন, আবার কখনো লবণ ব্যবসায়ী, আবার কখন তরুণ সমাজ সেবক । এরূপ ধারণ করেই দীর্ঘ বছর ধরে চালিয়ে আসছে ঘাতক মরণ নেশা ইয়াবা ট্যাবলেট হেরোইন । ইয়াবা- হেরোইন পাচার ও ব্যবসা করে এখন কোটিপতি সে।

এক সময় ভবঘুরে থাকলেও এখন বেশ কয়েকটি ট্রাক, ডাম্পারের মালিক। এসব মাদক পাচার ও ব্যবসা নির্বিঘ্নে করতে বেচে নিয়েছে ক্ষমতাসীন দলের পদ। কেউ এসবের প্রতিবাদ করলে সরকারি আমলা, দলীয় নেতাদের নাম ভাঙিয়ে হুমকি দিত। মামলা, হামলা,ক্রসফায়ার গুম করে লাশ লুকিয়ে রাখার হুমকি দিয়ে চলত প্রতিনিয়ত ।

দীর্ঘদিন ধরে লবণ ব্যবসার আড়ালে সারাদেশে ইয়াবা ও হেরোইন পাচার করে কোটিপতি হলেও বিষয়টি কারো নজরে আসেনি। সম্প্রতি তার বিশাল একটি হেরোইনেের চালান ও নিজের ট্রাকের হেলপার ঢাকা যাত্রাবাড়ী থানায় আটক হলে বেরিয়ে আসে অজানা তথ্য।

কক্সবাজারের শিল্প নগরী হিসেবে পরিচিত ইসলামপুর থেকে বড় বড় ট্রাক করে সারাদেশে লবণ সরবরাহ করে ব্যবসায়ীরা। সাধারণনত লবণ ব্যবসা বৈধ হওয়ায় প্রশাসন তেমন একটা নজরদারিতে রাখে না। কিন্তু লবণ সরবরাহের আড়ালে অনেক ব্যবসায়ী ইয়াবা পাচার করে কোটিপতি হয়েছে এমনও নজীর আছে ইসলামপুরে। এদের মধ্যে একজন মোঃ বেলাল হোসেন (৪০) প্রকাশ শাহ বেলাল ।তার বাড়ি ইউনিয়নের পূর্ব নাপিত খালী এলাকায়।তার বাবা হাজী নুরুল আলম প্রকাশ আলম হাজী।

অনুসন্ধান বলছে, শাহ বেলাল এক সময় ভবঘুরে বেকার ছিল, পরিবারের আর্থিক স্বচ্ছলতা ফিরিয়ে আনতে পাড়ি জমান বিদেশ।কয়েক বছর প্রবাস জীবন কাটিয়ে ফিরে আসে স্ব দেশে। শুরু করে লবণ ব্যবসা, কয়েক মাস লব ব্যবসা করলেও তেমন একটা লাভজনক না হওয়ায় বেচে নেয় ইয়াবা ও হেরোইন ব্যবসা। এলাকাসহ ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, নোয়াখালী ভিত্তিক গড়ে তুলে একটি ইয়াবা ও হেরোইন সিন্ডিকেট। লবণ বোঝাই ট্রাকে করে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছে দিত আর এলাকা ভিত্তিক সিন্ডিকেট নিয়ে চালিয়ে যেত জমজমাট এ ব্যবসা।

লবণ ব্যবসায়ী হিসেবে এলাকায় প্রচার থাকলেও ভিতর ভিতরে ইয়াবা হেরোইন পাচার ও ব্যবসা করত বিষয়টি তেমন কেউ আঁচ করতে পারেনি এলাকার লোকজন৷ এই ইয়াবার টাকায় কিনেছে কয়েকটি ট্রাক, ডাম্পারসহ জমিজমা । ডাচ্ বাংলা,ইসলামি ব্যাংকসহ বেশ কয়েকটি ব্যাংকে রয়েছে অর্ধকোটি টাকারও বেশি। ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলনের জন্য চেক এবং এটিএম কার্ডও জমা রেখেছে নতুন অফিসের আরেক যুবকের কাছে।

গত ১ জুলাই লবণের আড়ালে হেরোইন
পাচার করতে গিয়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে
ঢাকা যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশের হাতে ৭৫৫ পুরিয়া হিরোইন সহ আটক হন তার ট্রাক হেলপার সরওয়ার। সে পূর্ব নাপিত খালী এলাকার মৃত ফজল করিমের ছেলে। এ ঘটনায় যাত্রাবাড়ী থানার কর্মরত এসআই সুব্রত বিশ্বাস বাদী হয়ে মামলা রুজু করে।

ঐ মামলায় ট্রাক হেলপার সরওয়ারের ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত। রিমান্ডে স্বীকার করে গুলো বেলাল হোসেন প্রকাশ শাহ বেলালের। যার এফআইআর নং ৫/৫১৯। ধারা মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮ এর ৩৬(১)এর ৮(গ)/৪০। এই মামলায় বেলাল হোসেন প্রকাশ শাহ বেলাল এজাহার ভুক্ত আসামী। মামলা হলেও সে এলাকায় রাজার হালে চলাফেরা করে বলে জানান স্থানীয়রা।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এলাকার লোকজন জানান, বেলাল হোসেন প্রকাশ শাহ বেলাল এক সময় কক্সবাজার কলাতলীতে একটি কটেজ ভাড়া নিয়েছিল। উক্ত কটেজে পতিতা ও মাদকের জমজমাট ব্যবসা হওয়ায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী একাধিক বার অভিযান চালায়। এক প্রকার গ্রেফতার এড়াতে গড়ে তুলে কক্সবাজার ও ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলার প্রভাবশালী নেতা ও এমপিদের সাথে সখ্যতা।

নিজেকে রাষ্ট্রপতির ছেলের বন্ধু ও ঘনিষ্ঠজন, কখনো প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সিনিয়র সচিবদের সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। আবার এমপি মন্ত্রী পুলিশের আইজিপি, ডিআইজি, পুলিশ সুপারসহ ক্ষমতাসীন দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের নাম ভাঙিয়ে বীরদর্পে চলাফেরা করত৷ তাদের হাত ধরে রাজনৈতিক দলেও ভীড়ে যান এ শাহ বেলাল। খোঁজ খবর তার হুমকির শিকার কয়েকজনের সাথে কথা বলে
আরো জানা যায়, তার বিরুদ্ধে কেউ কিছু বললে উল্লেখিতদের নাম ভাঙিয়ে হুমকি দিত এমন কি মিথ্যা মামলা, ক্রসফায়ার, গুম করে লাশ লুকিয়ে রাখার মত হুমকি দিয়ে বেড়াত।

দলীয় নেতা কর্মীরা জানান, বেলালের এসব কর্মকান্ডে তারা বিব্রত, দলের সিনিয়রদের সাথে ছবি তুলে রাতারাতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়ে নিজেকে বড় নেতা জাহির করে। তার মুল ব্যবসা ইয়াবা ও হেরোইন পাচার৷
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, স্থানীয় রাজনৈতিক সংগঠনে বর্তমানে তার কোন পদ পদবী নাই। তবে বাংলাদেশ জননেত্রী শেখ হাসিনা পরিষদ নামের একটি সংগঠনের কেন্দ্রীয় সদস্য বলে প্রচার করে সে। কিন্তু দলীয় নেতা কর্মীরা জানালেন এই সংগঠনটির কোন অস্তিত্ব নেই।
তারা এই মাদক ব্যবসায়ী ও তার সহযোগিদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।এবং অবৈধ ভাবে আয়কৃত সম্পদের বিষয়ে খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নিতে দূর্নীতি দমন কমিশন ( দুদক) এর সহযোগিতা কামনা করেন।

এ বিষয়ে বেলাল হোসেন প্রকাশ শাহ বেলালের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, তার বিরুদ্ধে যাত্রাবাড়ী থানায় দায়ের করা মামলাটি ইয়াবার নয়, স্থানীয় কিছু কুচক্রী মহল টাকার বিনিময়ে তার নামটি ধৃত হেলপার সরওয়ারের সাথে জড়িয়ে দিয়েছে। সেটি হেরোইনের মামলা বলে স্বীকার করেন বেলাল। সে আরো জানায়, ঐ মামলা থেকে তাকে অভিযোগপত্র (চার্জশীট) থেকে বাদ দিয়েছে।তবে এ সংক্রান্ত কোন কাগজপত্র দেখা সে দেখাতে পারেনি। ঈদগাঁও পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের নবাগত ইনচার্জ মোঃ আবদুল হালিম এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি পুলিশ সুপারের নির্দেশ ছাড়া গণমাধ্যমে কথা বলতে রাজি হননি।

শাহিদ মোস্তফা শাহিদ, সদর।

কখনো আওয়ালীলীগের নেতা, কখনো আমলাদের আস্তাবাজন, আবার কখনো লবণ ব্যবসায়ী, আবার কখন তরুণ সমাজ সেবক । এরূপ ধারণ করেই দীর্ঘ বছর ধরে চালিয়ে আসছে ঘাতক মরণ নেশা ইয়াবা ট্যাবলেট হেরোইন । ইয়াবা- হেরোইন পাচার ও ব্যবসা করে এখন কোটিপতি সে।

এক সময় ভবঘুরে থাকলেও এখন বেশ কয়েকটি ট্রাক, ডাম্পারের মালিক। এসব মাদক পাচার ও ব্যবসা নির্বিঘ্নে করতে বেচে নিয়েছে ক্ষমতাসীন দলের পদ। কেউ এসবের প্রতিবাদ করলে সরকারি আমলা, দলীয় নেতাদের নাম ভাঙিয়ে হুমকি দিত। মামলা, হামলা,ক্রসফায়ার গুম করে লাশ লুকিয়ে রাখার হুমকি দিয়ে চলত প্রতিনিয়ত ।

দীর্ঘদিন ধরে লবণ ব্যবসার আড়ালে সারাদেশে ইয়াবা ও হেরোইন পাচার করে কোটিপতি হলেও বিষয়টি কারো নজরে আসেনি। সম্প্রতি তার বিশাল একটি হেরোইনেের চালান ও নিজের ট্রাকের হেলপার ঢাকা যাত্রাবাড়ী থানায় আটক হলে বেরিয়ে আসে অজানা তথ্য।

কক্সবাজারের শিল্প নগরী হিসেবে পরিচিত ইসলামপুর থেকে বড় বড় ট্রাক করে সারাদেশে লবণ সরবরাহ করে ব্যবসায়ীরা। সাধারণনত লবণ ব্যবসা বৈধ হওয়ায় প্রশাসন তেমন একটা নজরদারিতে রাখে না। কিন্তু লবণ সরবরাহের আড়ালে অনেক ব্যবসায়ী ইয়াবা পাচার করে কোটিপতি হয়েছে এমনও নজীর আছে ইসলামপুরে। এদের মধ্যে একজন মোঃ বেলাল হোসেন (৪০) প্রকাশ শাহ বেলাল ।তার বাড়ি ইউনিয়নের পূর্ব নাপিত খালী এলাকায়।তার বাবা হাজী নুরুল আলম প্রকাশ আলম হাজী।

অনুসন্ধান বলছে, শাহ বেলাল এক সময় ভবঘুরে বেকার ছিল, পরিবারের আর্থিক স্বচ্ছলতা ফিরিয়ে আনতে পাড়ি জমান বিদেশ।কয়েক বছর প্রবাস জীবন কাটিয়ে ফিরে আসে স্ব দেশে। শুরু করে লবণ ব্যবসা, কয়েক মাস লব ব্যবসা করলেও তেমন একটা লাভজনক না হওয়ায় বেচে নেয় ইয়াবা ও হেরোইন ব্যবসা। এলাকাসহ ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, নোয়াখালী ভিত্তিক গড়ে তুলে একটি ইয়াবা ও হেরোইন সিন্ডিকেট। লবণ বোঝাই ট্রাকে করে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছে দিত আর এলাকা ভিত্তিক সিন্ডিকেট নিয়ে চালিয়ে যেত জমজমাট এ ব্যবসা।

লবণ ব্যবসায়ী হিসেবে এলাকায় প্রচার থাকলেও ভিতর ভিতরে ইয়াবা হেরোইন পাচার ও ব্যবসা করত বিষয়টি তেমন কেউ আঁচ করতে পারেনি এলাকার লোকজন৷ এই ইয়াবার টাকায় কিনেছে কয়েকটি ট্রাক, ডাম্পারসহ জমিজমা । ডাচ্ বাংলা,ইসলামি ব্যাংকসহ বেশ কয়েকটি ব্যাংকে রয়েছে অর্ধকোটি টাকারও বেশি। ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলনের জন্য চেক এবং এটিএম কার্ডও জমা রেখেছে নতুন অফিসের আরেক যুবকের কাছে।

গত ১ জুলাই লবণের আড়ালে হেরোইন
পাচার করতে গিয়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে
ঢাকা যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশের হাতে ৭৫৫ পুরিয়া হিরোইন সহ আটক হন তার ট্রাক হেলপার সরওয়ার। সে পূর্ব নাপিত খালী এলাকার মৃত ফজল করিমের ছেলে। এ ঘটনায় যাত্রাবাড়ী থানার কর্মরত এসআই সুব্রত বিশ্বাস বাদী হয়ে মামলা রুজু করে।

ঐ মামলায় ট্রাক হেলপার সরওয়ারের ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত। রিমান্ডে স্বীকার করে গুলো বেলাল হোসেন প্রকাশ শাহ বেলালের। যার এফআইআর নং ৫/৫১৯। ধারা মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮ এর ৩৬(১)এর ৮(গ)/৪০। এই মামলায় বেলাল হোসেন প্রকাশ শাহ বেলাল এজাহার ভুক্ত আসামী। মামলা হলেও সে এলাকায় রাজার হালে চলাফেরা করে বলে জানান স্থানীয়রা।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এলাকার লোকজন জানান, বেলাল হোসেন প্রকাশ শাহ বেলাল এক সময় কক্সবাজার কলাতলীতে একটি কটেজ ভাড়া নিয়েছিল। উক্ত কটেজে পতিতা ও মাদকের জমজমাট ব্যবসা হওয়ায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী একাধিক বার অভিযান চালায়। এক প্রকার গ্রেফতার এড়াতে গড়ে তুলে কক্সবাজার ও ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলার প্রভাবশালী নেতা ও এমপিদের সাথে সখ্যতা।

নিজেকে রাষ্ট্রপতির ছেলের বন্ধু ও ঘনিষ্ঠজন, কখনো প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সিনিয়র সচিবদের সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। আবার এমপি মন্ত্রী পুলিশের আইজিপি, ডিআইজি, পুলিশ সুপারসহ ক্ষমতাসীন দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের নাম ভাঙিয়ে বীরদর্পে চলাফেরা করত৷ তাদের হাত ধরে রাজনৈতিক দলেও ভীড়ে যান এ শাহ বেলাল। খোঁজ খবর তার হুমকির শিকার কয়েকজনের সাথে কথা বলে
আরো জানা যায়, তার বিরুদ্ধে কেউ কিছু বললে উল্লেখিতদের নাম ভাঙিয়ে হুমকি দিত এমন কি মিথ্যা মামলা, ক্রসফায়ার, গুম করে লাশ লুকিয়ে রাখার মত হুমকি দিয়ে বেড়াত।

দলীয় নেতা কর্মীরা জানান, বেলালের এসব কর্মকান্ডে তারা বিব্রত, দলের সিনিয়রদের সাথে ছবি তুলে রাতারাতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়ে নিজেকে বড় নেতা জাহির করে। তার মুল ব্যবসা ইয়াবা ও হেরোইন পাচার৷
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, স্থানীয় রাজনৈতিক সংগঠনে বর্তমানে তার কোন পদ পদবী নাই। তবে বাংলাদেশ জননেত্রী শেখ হাসিনা পরিষদ নামের একটি সংগঠনের কেন্দ্রীয় সদস্য বলে প্রচার করে সে। কিন্তু দলীয় নেতা কর্মীরা জানালেন এই সংগঠনটির কোন অস্তিত্ব নেই।
তারা এই মাদক ব্যবসায়ী ও তার সহযোগিদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।এবং অবৈধ ভাবে আয়কৃত সম্পদের বিষয়ে খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নিতে দূর্নীতি দমন কমিশন ( দুদক) এর সহযোগিতা কামনা করেন।

এ বিষয়ে বেলাল হোসেন প্রকাশ শাহ বেলালের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, তার বিরুদ্ধে যাত্রাবাড়ী থানায় দায়ের করা মামলাটি ইয়াবার নয়, স্থানীয় কিছু কুচক্রী মহল টাকার বিনিময়ে তার নামটি ধৃত হেলপার সরওয়ারের সাথে জড়িয়ে দিয়েছে। সেটি হেরোইনের মামলা বলে স্বীকার করেন বেলাল। সে আরো জানায়, ঐ মামলা থেকে তাকে অভিযোগপত্র (চার্জশীট) থেকে বাদ দিয়েছে।তবে এ সংক্রান্ত কোন কাগজপত্র দেখা সে দেখাতে পারেনি। ঈদগাঁও পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের নবাগত ইনচার্জ মোঃ আবদুল হালিম এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি পুলিশ সুপারের নির্দেশ ছাড়া গণমাধ্যমে কথা বলতে রাজি হননি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
Customized BY NewsTheme