1. admin@coxtimes.com : admin :
শিরোনাম :
সচেতনতায় পুলিশ মাঠে…. করোনার প্রাদুর্ভাব বাড়লেও ঈদগাঁওতে বাড়েনি মানুষের মাঝে সচেতনতা ঈদগাঁওর জনগণকে স্বাস্থ্যবিধি মানাতে মাঠ পর্যায় ইউএনও ঈদগাঁওর বাঁশঘাটায় তিনটি দোকান সিলগালা বাঁশখালী ছনুয়ার মানুষের যোগাযোগ সড়কের বেহাল দশা অবসানের পথে ইসলামাবা‌দের আ‌লো‌চিত জবর মুল্লুক হত্যা মামলার আসামী‌দের রিমা‌ন্ডে নি‌তে গ‌ড়িম‌সি পু‌লি‌শের ! ঈদগাঁও বাজা‌রে সড়‌কের উপর দোকান নির্মাণ, ভূ‌মি অ‌ফি‌সের নি‌ষেধাজ্ঞা ইসলামের প্রচার-প্রসারে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি: শেখ হাসিনা। হ্নীলার দালাল আবছার রোহিঙ্গা নারীসহ বিমানবন্দরে আটক। জনগণের দুর্ভোগ লাগব করতে দ্রুত টেকসই সড়ক উপহার দিবো -কউক চেয়ারম্যান বিষপানে পুত্রবধূ নাসরিনের আত্মহত্যা সাংসদের ওয়ার্ডের রাস্তার ইট বিক্রি করে দিল মেম্বার! ইসলামবাদে (ব্র্যাক)আইন সহায়তা বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

দক্ষিণ মাইজপাড়ার জোৎসনা্ আক্তার ও তার স্বামী ছৈয়দ হোসেন এর বিরোদ্ধে টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগ !

  • আপডেট টাইম: Saturday, October 10, 2020
  • 362 বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক(ঈদগাঁও)

কক্সবাজার সদর উপজেলার ইদগাহ্ ইউনিয়নের দক্ষিণ মাইজপাড়ায় অভিনব পদ্ধতিতে ৩৫০ পরিবার থেকে বিভিন্ন এনজিও এবং উপজেলা পরিষদ থেকে বাৎসরিক ত্রাণ দেওয়ার কথা বলে গ্রামের সহস সরল মানুষের কাছ থেকে ৪ হাজার করে টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে জোৎসনা্ আক্তার নামের এক মহিলা ও তার স্বামী ছৈয়দ হোসেন এর বিরোদ্ধে । বাংলাদেশ সরকার এবং বেসরকারী এনজিও সংস্থা গুলি অসহায় দরিদ্র ব্যক্তিদের বছর ব্যপি ত্রাণ বরাদ্দ দেওয়ার খবরটি নিঃসন্দেহে এলাকাবাসীর জন্য উৎসাহব্যঞ্জক। অন্তত এই কর্মসূচির আওতায় কিছু মানুষ খাবারের কষ্টটা লাগব করতে পারবেন। কিন্তু, তা যদি বিভিন্ন লোকের মাধ্যমে আত্মসাৎ হয়ে যাই তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। কক্সবাজার সদরের ঈদগাহ্ ইউনিয়নে যেসব গরিব নারী-পুরুষ রয়েছে তার মধ্যে জুহুরা আক্তার একজন। অভাবের সংসার চালাতে হিমসিম খাওয়ায় খুজতে থাকে সরকারি ত্রাণের খবর আর এই দুরবলতা কাজে লাগিয়ে ছুটে আসেন জুৎসনা আক্তার নামের এক মহিলা। খবর দেয় আমরা উপজেলার বিভিন্ন সরকারী এবং এনজিওর বছর ব্যপি ত্রাণ দিয়ে থাকি বিনিময়ে তালিকা অন্তর্ভুক্তির জন্য ৪০০০/- করে টাকা দিতে হবে এবং সে দিয়ে দে। জুহুরা আক্তার কে বেছর ব্যাপী ত্রাণ দিবে খবর পেয়ে ছুটে যান একই এলাকার সাজেদা আক্তার, রাজিয়া আক্তার , নুর আয়েশা, মোহাম্মদ নেছার, মিজানুর রহমান সহ বেশ কয়েক জন। তাঁদের প্রত্যেকের কাছে গিয়ে ৪০০০/- করে হাতিয়ে নেই জুৎসনা আক্তার ও তার স্বামী : ছৈয়দ হোসাইন। পরে ত্রাণ দিতে ব্যর্ত হলে টাকা ফেরৎ চাইলে কিসের টাকা বলে হুমকি দিতে থাকে। এ খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে খবর নিয়ে যানা যায় ২০১৮ সালে তারা মাইজপাড়া, ভোমরিয়া ঘোনা,রামু,যোয়ারিয়ানালা, ইদগড় জালাবাদ,ইসলামাবাদ এইসব এলাকা থেকে বিভিন্ন প্রলোবন দেখিয়ে ৮ লক্ষ মত টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। কেবল খবরে বর্ণিত ওই কয়েকজন ব্যক্তি নন, আরও অনেক গরিব নারী-পুরুষ প্রতারক চক্রের খপ্পরে পড়ে সর্বস্বান্ত হয়েছেন। অনেকে ভয়ে প্রতারকদের বিরুদ্ধে নালিশও করেননি। সরকারের একটি জনবান্ধব কর্মসূচিকে ঘিরে প্রতারক চক্র এ অপকর্ম করার দুঃসাহস কীভাবে পেল? এ ক্ষেত্রে স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিরাও দায় এড়াতে পারেন না। এ ব্যপারে জোৎসনা আক্তারের সাথে কথা হলে তিনি জানান আমি যাদের কাছ থেকে টাকা নিচি সবাই ত্রাণ পেয়েছে এবং তাদের কে বলে দিয়েছিলাম কয় বার দিবে তা আমি জানি না । এবং আরো বলেন এব্যপারে ঈদগাও পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে সদ্য বিদায়ী এক পুলিশ অফিসারের কাছে বিচার হয় এবং রায়ও তার পক্ষে যাই। তবে কোন অফিসারের কাছে বিচার ছিলো জিজ্ঞেস করতেই কল কেটে দেই। ভুক্ত ভুগি জনসাধারণের একটায় দাবী প্রতারকদের বিচারের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি দেওয়া হোক ।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
Customized BY NewsTheme