1. admin@coxtimes.com : admin :
শিরোনাম :
সচেতনতায় পুলিশ মাঠে…. করোনার প্রাদুর্ভাব বাড়লেও ঈদগাঁওতে বাড়েনি মানুষের মাঝে সচেতনতা ঈদগাঁওর জনগণকে স্বাস্থ্যবিধি মানাতে মাঠ পর্যায় ইউএনও ছয় দফা দাবীতে সিবিআইইউ শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন। ইসলামাবাদে গভীর রাতে সশস্ত্র হামলাঃনগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুটের অভিযোগ! পশ্চিম টেকপাড়া সমাজকল্যাণ পরিষদ কর্তৃক শহর পুলিশ ফাঁড়ি কক্সবাজার এর সাথে মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। ঈদগাঁও প্রেস ক্লাবের জরুরী সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত ঈদগাঁওতে পরিবেশ আন্দোলনের মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত। ঈদগাঁওর বাঁশঘাটায় তিনটি দোকান সিলগালা বাঁশখালী ছনুয়ার মানুষের যোগাযোগ সড়কের বেহাল দশা অবসানের পথে ইসলামাবা‌দের আ‌লো‌চিত জবর মুল্লুক হত্যা মামলার আসামী‌দের রিমা‌ন্ডে নি‌তে গ‌ড়িম‌সি পু‌লি‌শের ! ঈদগাঁও বাজা‌রে সড়‌কের উপর দোকান নির্মাণ, ভূ‌মি অ‌ফি‌সের নি‌ষেধাজ্ঞা ইসলামের প্রচার-প্রসারে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি: শেখ হাসিনা।

প্রভাবশালী দখলদারদের রক্ষা করতে স্বল্প ক্ষমতাশালীদের দখল উচ্ছেদ’

  • আপডেট টাইম: Tuesday, October 27, 2020
  • 100 বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের ফুলছড়ি রেঞ্জের ফুলছড়িতে সামাজিক বনায়ন কেটে জবরদখল করা প্রভাবশালী দখলদারদের রক্ষা করতে বনবিভাগ লোক দেখানো উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বনবিভাগের কর্তা ব্যাক্তিদের চোখের সামনে দীর্ঘদিন পাহাড় ও বন ধ্বংসের মহড়া হলেও অভিযান পরিচালনা করেনি বনবিভাগ। উল্টো দখলদারদের রক্ষা করতে মাঝে মাঝে লোক দেখানো অভিযান পরিচালনা করেছে তারা। এমন অভিযোগ ভোক্তভূগীদের।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) ১৪ হেক্টর বনসহ জমি উদ্ধারের ঘটনাও বনখেকো মোহাম্মদ শরিফের ইন্ধনে করা হয়েছে বলেও দাবি করেছেন তারা।
উচ্ছেদ হওয়া পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, বন ধ্বংসকারী প্রভাবশালীদের রক্ষা করতে বনবিভাগ এ অভিযান পরিচালনা করেছে।
বন কর্মকর্তা আতা এলাহী জানান, কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগের ফুলছড়ি রেঞ্জের ফুলছড়ি বিটের ২০১৮-১৯ সালের স্বল্প মেয়াদী ১০ হেক্টর বাগানের ৪ হেক্টরের গাছ কেটে অবৈধভাবে ঘর তুলছে এমন অভিযোগ নিয়মিত আসছে। তবে, লোকবল সংকটের কারণে এতদিন উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয় নি। মাঝেও স্থানীয় বিট ও রেঞ্জ অফিস কয়েকবার অভিযান চালালেও অস্ত্রধারি দখলবাজরা পুনরায় দখলকাজ চালিয়েছে। সরকারি বন ও বনভূমি দখলে নিয়ে ঘর করা অব্যহত রাখার খবরে আজ মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) মো. সোহেল রানার নেতৃত্বে ফাঁসিয়াখালী রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. মাজহারুল ইসলাম, ফুলছড়ি রেঞ্জ কর্মকর্তা সৈয়দ আবু জাকারিয়া, মেহেরঘোনা রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. মামুন মিয়া, আমার বিশেষ টিমসহ বিভিন্ন রেঞ্জের বিট কর্মকর্তা, স্টাফ ও ভিলেজারগণ আজ (মঙ্গলবার) অভিযানে অংশ নেন। এসময় গাছ কেটে করা ঘরগুলো গুড়িয়ে দিয়ে বাগান ও বন ভুমি দখলে নেয় বনবিভাগ।
তবে, স্থানীয়দের অভিযোগ, ফুলছড়ি রেঞ্জের পাহাড়গুলোর সিংহভাগ ধ্বংস করেছে স্থানীয় চেয়ারম্যান আবুল কালামের ছোটভাই মোঃ শরিফ ও মোঃ আরিফ। প্লট ধ্বংস করে বাজার নির্মাণ করার অভিযোগও রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে। একই সাথে বনবিভাগের জমি বিক্রি, বালি উত্তোলনের ঘটনা ওপেন সিক্রেট। বনবিভাগের অসাধু কর্মকর্তাদের যোগসাজশে তারা এমন অপকর্ম করে বেড়াচ্ছে। অথচ তাদের বিরুদ্ধে আইনগত কোন ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না। উল্টো বনবিভাগকে তথ্য প্রদানকারী অনেকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করেছে বনবিভাগ।
এসিএফ মো. সোহেল রানার জানান, অভিযানের পর দখলদার হিসেবে ইসলামপুরের শরিফসহ বেশ কয়েকজনের নাম উঠে এসেছে।
তবে, অভিযানকালে কাউকে স্পটে পাওয়া যায়নি। তাই নিরহদের না জড়াতে অধিকতর তদন্তের মাধ্যমে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।
কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) তহিদুল ইসলাম বলেন, বন ও বনভূমি অবৈধ দখলদাররা প্রকৃতির শত্রু। কে কোন দল বা ক্ষমতাশীল কিংবাা দূর্বল তা বিবেচনায় নয়, অপরাধী বিবেচনায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। লোকবল সংকট থাকায় অনেকসময় ইচ্ছে থাকার পরও সময়মতো অভিযান চালানো যায় না। কিন্তু দখলে অভিযুক্ত এলাকাগুলোতে এখন থেকে কঠিন নজরদারি রেখে নিয়মিত উচ্ছেদ অভিযান চালানো হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
Customized BY NewsTheme