1. admin@coxtimes.com : admin :
শিরোনাম :
সচেতনতায় পুলিশ মাঠে…. করোনার প্রাদুর্ভাব বাড়লেও ঈদগাঁওতে বাড়েনি মানুষের মাঝে সচেতনতা ঈদগাঁওর জনগণকে স্বাস্থ্যবিধি মানাতে মাঠ পর্যায় ইউএনও ছয় দফা দাবীতে সিবিআইইউ শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন। ইসলামাবাদে গভীর রাতে সশস্ত্র হামলাঃনগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুটের অভিযোগ! পশ্চিম টেকপাড়া সমাজকল্যাণ পরিষদ কর্তৃক শহর পুলিশ ফাঁড়ি কক্সবাজার এর সাথে মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। ঈদগাঁও প্রেস ক্লাবের জরুরী সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত ঈদগাঁওতে পরিবেশ আন্দোলনের মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত। ঈদগাঁওর বাঁশঘাটায় তিনটি দোকান সিলগালা বাঁশখালী ছনুয়ার মানুষের যোগাযোগ সড়কের বেহাল দশা অবসানের পথে ইসলামাবা‌দের আ‌লো‌চিত জবর মুল্লুক হত্যা মামলার আসামী‌দের রিমা‌ন্ডে নি‌তে গ‌ড়িম‌সি পু‌লি‌শের ! ঈদগাঁও বাজা‌রে সড়‌কের উপর দোকান নির্মাণ, ভূ‌মি অ‌ফি‌সের নি‌ষেধাজ্ঞা ইসলামের প্রচার-প্রসারে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি: শেখ হাসিনা।

বৃষ্টিতে ভেসে গেল ঈদগাওয়ের কৃষকের সপ্ন

  • আপডেট টাইম: Sunday, November 8, 2020
  • 84 বার পড়া হয়েছে

মোঃ কাউছার উদ্দীন শরীফ।

ঈদগাঁওতে দফায় দফায় বন্যার ফলে দিশেহারা কৃষক। বার বার চেষ্টা করেও তারা ঘুরে দাঁড়াতে পারছেন না।গত ৫/৬ দিন ধরে টানা বৃষ্টিতে সৃষ্ট বন্যায় আবার তলিয়ে গেছে তাদের ক্ষেতের ফসল। সেই সাথে দক্ষিণঞ্চলের কৃষকদের সব স্বপ্ন আশা আবার শেষ হয়ে গেল।

সরজমিনে বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়,
গত কয়েকদিনের হালকা, মাঝারি ও ভারী বৃষ্টিপাতে তলিয়ে যাত্তয়া মাঠের ধান নিয়ে বেকায়দায় পড়েছেন কৃষকেরা। একদিকে শ্রমিক সঙ্কট, অপরদিকে বোরো ধান কেটে বাড়ি আনতে তিনগুণ পরিশ্রমের পরও সোনালী ফসল ঘরে তুলতে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
সদর উপজেলার ঈদগাঁর হাজার হাজার কৃষককে। এছাড়াও থেমে থেমে আসা বৃষ্টির কারণে আগে কেটে রাখা ধানও মাড়াই করে শুকাতে গিয়ে বিপাকে পড়তে হচ্ছে কৃষকদের। চোখের সামনেই নষ্ট হয়ে যাচ্ছে কষ্ট করে সৃজিত হাজার হাজার একর জমির ধান। ফলে কৃষকের বুকে জমছে চাপা আর্তনাদ। চোখে-মুখে ফসল হারানোর শঙ্কার ছাপ। ঈদগাঁওর কিছু কিছু এলাকায় অতি বৃষ্টিতে ধান গাছ নুয়ে পড়েছে, আবার কোথাও ভেসে গেছে, ঝড়ের আঘাতে ঝরে গেছে ধান, কোথাও ভারী বৃষ্টিতে মাটির সঙ্গে মিশে গেছে পাকা ধান। বৃষ্টি শুরুর আগেই যাদের ধান কাটাশেষ হয়েছে তাদের অনেকেই ধান শুকাতে পারেনি। ফলে গন্ধ হয়ে গেছে ধানে। বৃষ্টি ভেজা ধান ও গাছে আক্রমণ করেছে ছত্রাক। শুকাতে না পারায় কিছু ভেজা ধান থেকে অঙ্কুর (অঙ্কুরোদগম)বেরিয়েছে। ফলে ওই ধান গবাদি পশুকে খাওয়ানো ছাড়া আরকোনো কাজে আসছে না কৃষকের। এদিকে, বৃষ্টির কারণে ধান ভিজে গেলে সেই ধান আর গোলায় রাখা যায় না। সঙ্গে সঙ্গে সিদ্ধ করে চাল করতে হয়। এমন ধানের চালের রংও কিছুটা লালচে হয়। নষ্ট হয়ে যায় স্বাদও।

ঈদগাঁওর দক্ষিন মাইজ পাড়া এলাকার কৃষক জসিম উদ্দিনের সাথে কথা হলে তিনি জানান ফুলছড়ি নদীর ঢল ও টানা বৃষ্টিতে ঈদগাঁওর বিভিন্ন নদীর পানি বেড়ে ঈদগাঁও ইউনিয়ন, ইসলামপুর ইউনিয়ন,ইসলামাবাদ ইউনিয়ন,পোকখালী ইউনিয়ন, জালালাবাদ ইউনিয়ন, চৌফলদন্ডী ইউনিয়নে বন্যা দেখা দিয়েছে।টানা বৃষ্টির বন্যায় এ অঞ্চলের প্রায় সাড়ে তিন হাজার হেক্টর আবাদি ফসল নিমজ্জিত হয়েছে। ফুলছড়ি নদীর পানি বেড়ে ঈদগাঁওর প্রায় একশ’ হেক্টর জমির রোপা আমনসহ উঠতি ফসল তলিয়ে গেছে। সব মিলিয়ে আশ্বিনের এ বন্যায় আবার ফিকে হয়ে গেছে কৃষকের স্বপ্ন। এরা আরও জানান,এমনিতেই বাজারে ধানের দাম কম তারপর বিচালি বাবদ বিঘা প্রতি ৩-৪ হাজার টাকা লোকসান হবে। এ অবস্থায় সঠিক সময়ে ধান শুকিয়ে ঘরে না তুলতে পারলে ওই ধান গবাদি পশুকে খাওয়ানো ছাড়া আর কোনো কাজে আসবে না।ক্ষতিগ্রস্ত প্রান্তিক কৃষকরা সরকারের সহযোগিতা কামনা করেছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
Customized BY NewsTheme