1. admin@coxtimes.com : admin :
শিরোনাম :
সচেতনতায় পুলিশ মাঠে…. করোনার প্রাদুর্ভাব বাড়লেও ঈদগাঁওতে বাড়েনি মানুষের মাঝে সচেতনতা ঈদগাঁওর জনগণকে স্বাস্থ্যবিধি মানাতে মাঠ পর্যায় ইউএনও ঈদগাঁও বাজা‌রে সড়‌কের উপর দোকান নির্মাণ, ভূ‌মি অ‌ফি‌সের নি‌ষেধাজ্ঞা ইসলামের প্রচার-প্রসারে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি: শেখ হাসিনা। হ্নীলার দালাল আবছার রোহিঙ্গা নারীসহ বিমানবন্দরে আটক। জনগণের দুর্ভোগ লাগব করতে দ্রুত টেকসই সড়ক উপহার দিবো -কউক চেয়ারম্যান বিষপানে পুত্রবধূ নাসরিনের আত্মহত্যা সাংসদের ওয়ার্ডের রাস্তার ইট বিক্রি করে দিল মেম্বার! ইসলামবাদে (ব্র্যাক)আইন সহায়তা বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত কক্সবাজারে যুবককে শিকল দিয়ে বেঁধে বর্বর নির্যাতন। সেনাবাহিনীর নব প্রধান হচ্ছেন এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ। ঝালকাঠিতে উপায়’র মাধ্যমে ট্রাফিক মামলার জরিমানা পরিশোধে ঝালকাঠি জেলা পুলিশের চুক্তি

শান্তিপূর্ণভাবে স্বেচ্ছায় ভাসানচরে যাচ্ছে রোহিঙ্গারা শান্তিপূর্ণভাবে স্বেচ্ছায় ভাসানচরে যাচ্ছে রোহিঙ্গারা

  • আপডেট টাইম: Friday, December 4, 2020
  • 75 বার পড়া হয়েছে

বার্তা ডেস্ক : কক্সবাজারের উখিয়া কলেজ মাঠ থেকে ভাসানচরের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিয়েছে ১৪টি বাস। ব্যাপক নিরাপত্তার মধ্যদিয়ে তাদেরকে বাসযোগে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ৩ ডিসেম্বর সকাল সাড়ে ১০টার দিকে এসব গাড়ী গুলো রোহিঙ্গা ভর্তি করে রওনা দিতে দেখা যায়। ধারণা করা হচ্ছে প্রতিটি বাসে ৩০ থেকে ৪০ জনের মতো রোহিঙ্গা রয়েছে। তবে এখনো পর্যন্ত কতো পরিবার রোহিঙ্গা ভাসানচরে যাচ্ছে তার কোনো সঠিক তথ্য বা বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ৥ উখিয়া কলেজ মাঠ থেকে রওয়ানা দিয়েছে ১৪টি বাস
রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে নিয়ে যাওয়া নিয়ে কুতুপালং লম্বাশিয়া ক্যাম্পের রোহিঙ্গা নেতা আব্দুর রহিম জানান, এ পর্যন্ত রোহিঙ্গা ক্যাম্পের পরিবেশ স্বাভাবিক রয়েছে। যেহেতু যারা ভাসানচরে যাচ্ছে তারা স্বেচ্ছায় যাচ্ছে। তিনি আরও জানান, এ বিষয়ে ক্যাম্পে কারো কোনো হস্তক্ষেপ নেই। তবে সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে জানাগেছে চলমান প্রক্রিয়ায় পর্যায়ক্রমে লক্ষাধিক রোহিঙ্গাকে ভাসানচরে স্থানান্তরের পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের৷
কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রাম এনে সেখান থেকে রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে নেয়ার জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে নৌবাহিনীর ১৪টি জাহাজ। প্রথম ২ মাস তাদের রান্না করা খাবার সরবরাহ করা হবে। এরপর নিজ নিজ বাসস্থানেই তারা রান্না করতে পারবেন। তাদের জন্য পর্যাপ্ত খাদ্য মজুতসহ পরিবহন ব্যবস্থাও রয়েছে। তাদের জন্য ৬৬ টন খাদ্য সামগ্রী মজুত করা আছে বলে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রটি নিশ্চিত করেছেন।
জানাগেছে, কক্সবাজার থেকে ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের স্থানান্তরে সার্বিক নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছে র‌্যাব-৭ ও র‌্যাব-১৫। এক লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থীকে নোয়াখালীর ভাসানচরে স্থানান্তর করার জন্য সরকার একটি মেগা প্রকল্প গ্রহণ করেছে। এতে সব ধরণের আধুনিক সুযোগ সুবিধা থাকার সত্বেও ভাসানচরে যেতে আগ্রহী ছিল না রোহিঙ্গারা। যেটার প্রতিফলন আজ শুরু করেছে সংশ্লিষ্টরা।
কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফের ৩৪টি ক্যাম্প থেকে নিজ ইচ্ছায় ভাসানচরে যেতে রাজি এমন রোহিঙ্গাদের নিয়ে যেতে উখিয়া কলেজ মাঠে একটি অস্থায়ী ট্রানজিট পয়েন্ট স্থাপন করা হয়েছে। চলমান এ প্রক্রিয়ায় প্রায় ১ লাখ রোহিঙ্গা ভাসানচরে যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে সংশ্লিষ্টরা।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, স্বেচ্ছায় ভাসানচরে যাওয়ার জন্য তালিকাভুক্ত রোহিঙ্গা পরিবার গুলোকে ২ ডিসেম্বর রাতে এবং ৩ ডিসেম্বর সকাল থেকে ক্যাম্প থেকে নিয়ে এসে উখিয়া কলেজ মাঠে জুড়ো করে রাখা হয়। উখিয়া কলেজ মাঠ থেকে এ পর্যন্ত ১৪টি রোহিঙ্গা ভর্তি বাস ভাসানচরে উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিলেও আরও ২০টি অধিক বাস সেখানে রয়েছে৷ ওই বাসগুলো রোহিঙ্গা ভর্তি করে যেকোন সময় রওনা দিতে পারে বলে ধারণা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রায় তিন হাজার ১০০ কোটি টাকায় নির্মিত রোহিঙ্গাদের জন্য এ অস্থায়ী আবাসস্থল এখন কর্মমুখর। দ্বীপটি বাসস্থানের উপযোগী করা, অবকাঠামো উন্নয়ন, বনায়ন এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল নৌবাহিনীকে। এদিকে ভাসানচরে নেয়ার এ উদ্যোগ গ্রহণের আগে ২২টি এনজিও সংস্থার প্রতিনিধিদল সেখানে পরিদর্শন করেন। তারা ফিরে এসে সন্তোষজনক মন্তব্য করেন। তারা রোহিঙ্গাদের সেখানে স্থানান্তর করতে সহযোগীতার আশ্বাস দেন।
এদিকে, ২ ডিসেম্বর জাতিসংঘ আবাসিক সমন্বয়কারীর কার্যালয় থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে বলা হয়, আগামী দিনে কক্সবাজার থেকে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ভাসানচরে সরিয়ে নেয়ার পরিকল্পনা সম্পর্কে জাতিসংঘ অবগত আছে। কিন্তু শরণার্থীদের স্থানান্তর প্রস্তুতি কিংবা রোহিঙ্গাদের শনাক্তকরণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে সংস্থাটিকে যুক্ত করা হয়নি। তাই ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের স্থানান্তরের ব্যাপারে জাতিসংঘ তার আগেকার অবস্থানেই রয়েছে। রোহিঙ্গা শরণার্থীরা যেন জেনে-বুঝে এবং মুক্তভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারে তা নিশ্চিত করতে হবে। সেজন্য জায়গাটি সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট তথ্যের ওপর ভিত্তি করে যেন তারা সিদ্ধান্ত নিতে পারে।
উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের আগস্টে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর গণহত্যা ও নিপীড়নের মুখে পড়ে দেশটি থেকে কয়েক লক্ষ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আসে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
Customized BY NewsTheme