1. admin@coxtimes.com : admin :
শিরোনাম :
সচেতনতায় পুলিশ মাঠে…. করোনার প্রাদুর্ভাব বাড়লেও ঈদগাঁওতে বাড়েনি মানুষের মাঝে সচেতনতা ঈদগাঁওর জনগণকে স্বাস্থ্যবিধি মানাতে মাঠ পর্যায় ইউএনও ঈদগাঁওর বাঁশঘাটায় তিনটি দোকান সিলগালা বাঁশখালী ছনুয়ার মানুষের যোগাযোগ সড়কের বেহাল দশা অবসানের পথে ইসলামাবা‌দের আ‌লো‌চিত জবর মুল্লুক হত্যা মামলার আসামী‌দের রিমা‌ন্ডে নি‌তে গ‌ড়িম‌সি পু‌লি‌শের ! ঈদগাঁও বাজা‌রে সড়‌কের উপর দোকান নির্মাণ, ভূ‌মি অ‌ফি‌সের নি‌ষেধাজ্ঞা ইসলামের প্রচার-প্রসারে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি: শেখ হাসিনা। হ্নীলার দালাল আবছার রোহিঙ্গা নারীসহ বিমানবন্দরে আটক। জনগণের দুর্ভোগ লাগব করতে দ্রুত টেকসই সড়ক উপহার দিবো -কউক চেয়ারম্যান বিষপানে পুত্রবধূ নাসরিনের আত্মহত্যা সাংসদের ওয়ার্ডের রাস্তার ইট বিক্রি করে দিল মেম্বার! ইসলামবাদে (ব্র্যাক)আইন সহায়তা বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

বাঁশ ঘাটা রাস্তাজুড়ে কাঁচাবাজার

  • আপডেট টাইম: Sunday, December 27, 2020
  • 93 বার পড়া হয়েছে

সায়মন সরওয়ার কায়েমঃ
ঈদগাঁও বাঁশঘাটা রোড থেকে ডিসি মোড় বাস স্টেশন পর্যন্ত রাস্তার দুই পাশজুড়ে বসছে কাঁচাবাজার। এই বাজারের কারণে প্রতিদিন সকালে যানজট হচ্ছে । বিশেষ করে স্কুলে আসা শিক্ষার্থীদের পড়তে হচ্ছে বিপাকে।
ঈদগাঁও বাজারে আসা বাসিন্দাদের অভিযোগ, ইজারাদার দের সহায়তায় এই বাজার বসানো হচ্ছে। বাজার যতক্ষণ চলে ততক্ষণ ইজারাদার দের একজন সদস্য দাঁড়িয়ে থেকে টাকা তোলেন। এই বিষয়ে ইজারাদার সাহাব উদ্দিন সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে সেই বলেন
সকালে রাস্তায় কিছু ভ্রাম্যমাণ হকার রাস্তায় বসতে পারে। এটাকে বাজার বলা ঠিক নয়। বাজার কমিটি সাথে যোগাযোগ করা হলে দপ্তর সম্পাদক নাছির উদ্দীন বলেন কেউ এর সঙ্গে জড়িত নয় বলে তিনি দাবি করেন।
প্রতি দিন সকাল বিকাল দেখা গেল, বাঁশ ঘাটা থেকে বাস স্টেশন পর্যন্ত রাস্তার পশ্চিম পাশে বসেছে কাঁচাবাজার। শ দুয়েক দোকানি সেখানে নানা জিনিসের পসরা সাজিয়েছেন। বেশির ভাগই কাঁচা সবজি। মাছের পসরাও আছে। পাইকারি বাজার থেকে সবজি কিনে খুচরা দোকানিরা হক লাইব্রেরী সামনে থেকে কালী বাড়ি চত্বরে এসে বসেন। স্বর্ণের দোকানের গলি পুরো রোড দখল করে থাকেন কাচা বাজার ব্যবসায়। আবার শামশু চায়ের দোকানে থেকে মাছ বাজারে গলিতে একই অবস্থা ঈদগাঁও
বাজারে আসা লোকজনের অভিযোগ, দিনে দিনে এ বাজারের পরিধি বাড়ছে। আগে চার-পাঁচজন দোকানি ভ্যানে করে সকালে কাঁচা তরিতরকারি বিক্রি করতেন। ব্যবসা ভালো হওয়ায় এর সংখ্যা বেড়ে গেছে। এখন রীতিমতো বাজার হয়ে গেছে। সকাল সাতটা থেকে বাজার বসতে শুরু করে। আর বাজার শেষ হতে হতে রাত সাড়ে ১০টা থেকে ১১টা বেজে যায়। এরপর দোকান বসে সিদ্ধেশ্বরী লেন ও মহল্লার ভেতরের সরু গলিগুলোর পাশ দিয়ে। আশপাশের বাসিন্দারা ও বিভিন্ন স্কুলে সন্তানদের পৌঁছে দিতে আসা লোকজনই মূলত এসব বাজারের ক্রেতা। এই বাজারের কারণে রাস্তার দুই পাশে থাকা দোকানিরা বিপাকে পড়েন।
আবদুল হাকিম নামের এক দোকানি আপন কণ্ঠ কে বলেন, উড়ালসড়কের কারণে এমনিতেই রাস্তার কিছু অংশ বন্ধ থাকছে। বাকি অংশ কাঁচাবাজার বসালে রাস্তায় আর গাড়ি চলাচল করতে পারে না। তিনি বলেন, আগে দোকানগুলো সকালে বসলেও একটু পরই উঠে যেত। কিন্তু এখন রাতের বেলায় পর্যন্ত বসে থাকে। সে কারণে এই এলাকায় সকালে আগের চেয়ে বেশি যানজট হয়। সকালে স্কুলে আসা শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের যানজটে বসে থাকতে হয়।
আজ সকালে অস্থায়ী বাজারের দোকানিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেল, ইজারাদারের এক সদস্য প্রতিদিন এই বাজার থেকে চাঁদা তোলেন। গতকাল সকালে এক ব্যক্তিকে দেখিয়ে দিয়ে একজন দোকানি বললেন, তাঁর সঙ্গে কথা বলুন। তবে লোকটির সঙ্গে কথা বলতে চাইলে তিনি কোনো কথা না বলে অন্যদিকে চলে যান।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
Customized BY NewsTheme