1. admin@coxtimes.com : admin :
শিরোনাম :
সচেতনতায় পুলিশ মাঠে…. করোনার প্রাদুর্ভাব বাড়লেও ঈদগাঁওতে বাড়েনি মানুষের মাঝে সচেতনতা ঈদগাঁওর জনগণকে স্বাস্থ্যবিধি মানাতে মাঠ পর্যায় ইউএনও ইসলামাবাদ ইউনিয়ন আ,লীগের উদ্যোগে ৭২ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত নৌকার বিদ্রোহী প্রার্থীদের দলীয় পদ পদবীর বিষয়ে অসনি সংকেট ছয় দফা দাবীতে সিবিআইইউ শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন। ইসলামাবাদে গভীর রাতে সশস্ত্র হামলাঃনগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুটের অভিযোগ! পশ্চিম টেকপাড়া সমাজকল্যাণ পরিষদ কর্তৃক শহর পুলিশ ফাঁড়ি কক্সবাজার এর সাথে মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। ঈদগাঁও প্রেস ক্লাবের জরুরী সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত ঈদগাঁওতে পরিবেশ আন্দোলনের মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত। ঈদগাঁওর বাঁশঘাটায় তিনটি দোকান সিলগালা বাঁশখালী ছনুয়ার মানুষের যোগাযোগ সড়কের বেহাল দশা অবসানের পথে ইসলামাবা‌দের আ‌লো‌চিত জবর মুল্লুক হত্যা মামলার আসামী‌দের রিমা‌ন্ডে নি‌তে গ‌ড়িম‌সি পু‌লি‌শের !

ফুলছড়িতে অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে উচ্ছেদ ঘোষণা করলেন

  • আপডেট টাইম: Monday, December 28, 2020
  • 99 বার পড়া হয়েছে

রেঞ্জ কর্মকর্তা

সায়মন সরওয়ার কায়েমঃ ঈদগাঁওঃ

কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগের ফুলছড়ি রেঞ্জের আওতাধীন

জুমনগর এলাকার একটি দুর্গম সংরক্ষিত বন এবং অভয়ারণ্যে গত দুই মাসে শতাব্দী প্রাচীন বহু গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা গেছে, বনের প্রায় একশ একর জমি সম্পূর্ণ খালি হয়ে গেছে গত কয়েক বছরে।
একাধিক উত্স থেকে ছবি সংগ্রহ করেছে আপন কণ্ঠ প্রতিবেদক। যা প্রমাণ দেয় যে শতাব্দী প্রাচীন গাছগুলো জুম নগর সংরক্ষিত বনাঞ্চল থেকে অবৈধভাবে কেটে নাসী নদী দিয়ে পরিবহন করা হচ্ছে।
প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, কক্সবাজার সদরের ইসলামপুরের কাঠ ব্যবসায়ীদের নেতৃত্বে অন্তত ৩০/৪০ জনের সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে বন আইনে মামলা আসামী একটি সিন্ডিকেট গত কয়েক বছর ধরে শীতের মৌসুমে এই পাহাড়ি বন থেকে গাছ কাটাচ্ছেন।
তবে এর বিরুদ্ধে কখনই ব্যবস্থা নেয়নি বন। সব সময়ই তারা বলে আসছেন, ‘জনবল ঘাটতি’র কারণে সংরক্ষিত বনাঞ্চলে তারা পাহারা দিতে পারছে না।
বনের গাছ লুটপাটে বন কর্মকর্তাদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত থাকার অভিযোগও রয়েছে।
টাকায় নাকি বাঘের দুধও মিলে। বাঘের দুধ নয়, তবে বনভূমির মালিকানা ঠিকই মেলে কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের ফুলছড়ি বনবিটের ২০১৭-১৮ সালে সৃজিত বনায়নে। প্লট আকারে বিক্রির কাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ খোদ যুবলীগের রাজনৈতিক পরিচয়ে বেশ কিছু নেতা এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পরিচয়ে দখলদারদের বিরুদ্ধে।
এখানে ১২০ একরের বেশি বনভূমি বেদখল হয়েছে এরই মধ্যেই। কয়েক কোটি টাকা চারাগাছ কেটে ধ্বংস করে সেখানে গড়ে তোলা হয়েছে কাচা ঘরবাড়ি। বনবিভাগ কয়েকবার উচ্ছেদ অভিযান চালিয়ে দায় সেরেছেন। তবে বনবিভাগ এখন রহস্যজনক ভাবে নিরব দর্শকের ভুমিকা পালন করছে।স্থানীয়রা বলছেন, এখনই লাগাম না ধরলে পরিস্থিতি হতে পারে আরো ভয়াবহ।
ফুলছড়ি বনবিটের অধীনে হাজার হাজার একর বন ভূমির মালিক ছিল বনবিভাগ। বর্তমানে তা কমে দাঁড়িয়েছে প্রায় শত একরে। গত কয়েক বছর আগের স্যাটেলাইট ফুটেজের সঙ্গে বর্তমানের তুলনা করলেই তা স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে বন দখলে অনুসরণ করা হয়েছে তিনটি পদ্ধতি। ধীরে ধীরে গাছ কেটে বন উজাড়, রাতারাতি পলিথিন কিংবা বাশের বেড়া দিয়ে তুলে সরাসরি দখল এবং বন কর্মকর্তাদের হাত করে বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় বেদখল।
অনুসন্ধানে জানা যায়, বনভুমি দখলদার ইসলামপুরের ওসমান আলী মুরশেদ পীং ছগির আহমদ সাবেক মেম্বার,আবছার পীং ইউছুপ আলী,দেলোয়ার হোসেন মনিয়া,পীং- আবু তাহের,সাং- জুমনগর, আবুল কালাম কালা সোনা, পীং-সীরাজ দৌল্লা,ইউনুচ প্রকাশ পুরাইয়া, পীং মৃত ইউছুপ আলী, জয়নাল উদ্দীন, পিতা- আবদুল মাবুদ মাঝি,
সাইফুল পীং- সিদ্দিক আহমদ, কামরুল ইসলাম সবুজ পীং- সোলতান আহমদ,ওমর ফারক ভুট্টো, মনজুর আলম প্রকাশ কালা মনজুর, পী-মনুর আলম মনু, আনোয়ার, পীং-মৃত ওয়াজ কবির, ফরিদ আলম, পীতা- ওবাইদুল হোসেন, জয়নাল আবেদীন, পীং- মো. হাশিম,মো.এহেসান পীং-মৃত ইউছুপ আলী, রাসেল পীং-ইন্না আমিন, মো.ফরিদ পীং-মৃহ মো.হাসিম, আবদুল মজিদ পীং-মোক্তার আহম্মদসহ অন্তত ৩০/৪০ জনের সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে বন আইনে মামলা করা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান,টাকা দিলে সবই সম্ভব এখানে। যুক্ত সব পর্যায়ের কর্মকর্তা।৫০ হাজার থেকে এক লাখ টাকা বিট কর্মকর্তাকে দিলেই সব করা যায়। সবাই ভাগ নেয় টাকার।গত কয়েকদিনে ২০১৭-১৮ সালে সৃজিত বনায়নের কোটি টাকার চারাগাছ কেটে ফেলা হয়েছে। এখন চারাগারের শুকনো ঢাল আর গুড়ালিগুলো স্বাক্ষী হয়ে আছে।
ফুলছড়ির বিট কর্মকর্তা আকরাম উল্লার সাথে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও সংযোগ না পাওয়ার কারণে বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
এবিষয়ে ফুলছড়ি রেঞ্জ কর্মকর্তা মাজাহারুল ইসলাম এর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, যেখানে সরকারি গাছ কাটাই নিষেধ সেখানে বনায়নের ভেতর প্রকাশ্যে তারা কাটছে তাজা চারা গাছ ও অবৈধ স্থাপনা গড়ে তুুুলছে সেখানেএকাধিকবার অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এবং উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানান তিনি।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক জনপ্রতিনিধি বলেন, ফুলছড়ির বনভূমি সংরক্ষণ করতে হলে শক্ত হতে হবে বনবিভাগ এবং সরকারের সর্বোচ্চ মহলকে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
Customized BY NewsTheme