1. admin@coxtimes.com : admin :
শিরোনাম :
সচেতনতায় পুলিশ মাঠে…. করোনার প্রাদুর্ভাব বাড়লেও ঈদগাঁওতে বাড়েনি মানুষের মাঝে সচেতনতা ঈদগাঁওর জনগণকে স্বাস্থ্যবিধি মানাতে মাঠ পর্যায় ইউএনও ঈদগাঁওর বাঁশঘাটায় তিনটি দোকান সিলগালা বাঁশখালী ছনুয়ার মানুষের যোগাযোগ সড়কের বেহাল দশা অবসানের পথে ইসলামাবা‌দের আ‌লো‌চিত জবর মুল্লুক হত্যা মামলার আসামী‌দের রিমা‌ন্ডে নি‌তে গ‌ড়িম‌সি পু‌লি‌শের ! ঈদগাঁও বাজা‌রে সড়‌কের উপর দোকান নির্মাণ, ভূ‌মি অ‌ফি‌সের নি‌ষেধাজ্ঞা ইসলামের প্রচার-প্রসারে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি: শেখ হাসিনা। হ্নীলার দালাল আবছার রোহিঙ্গা নারীসহ বিমানবন্দরে আটক। জনগণের দুর্ভোগ লাগব করতে দ্রুত টেকসই সড়ক উপহার দিবো -কউক চেয়ারম্যান বিষপানে পুত্রবধূ নাসরিনের আত্মহত্যা সাংসদের ওয়ার্ডের রাস্তার ইট বিক্রি করে দিল মেম্বার! ইসলামবাদে (ব্র্যাক)আইন সহায়তা বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

কক্সবাজার শয্য জেলা সদর হাসপাতালে দুর্নীতির আখড়া!

  • আপডেট টাইম: Thursday, January 28, 2021
  • 139 বার পড়া হয়েছে

কক্সবাজার প্রতিনিধি

কক্সবাজার শয্য জেলা সদর হাসপাতাল হলো, অত্র জেলার গরীব দুখী অসহায় মানুষের শেষ ঠিকানা। তা এখন দূর্নীতির আখড়া হয়েগেছে। মানুষ কখনো সুস্থ ও নিরাপদ থাকতে হাসপাতালের দ্বারেও যায় না? যখন কোন দূর গঠনা কিংবা অসুস্থতায় ভোগে, তখন লোকেরা নিরাময়ের জন্য হাসপাতাল যায়, সেখান থেকে আবার অনেকে মৃত্যুর পথ যাত্রী হয়ে ফিরে আসে।

এখন সেই শেষ ঠিকনা ব্যবসায় পরিনত হয়েছে। কোথায় যাবে সাধারণ জনগণ? এমনি একটি গঠনা ঘটেছে কক্সবাজার শয্য জেলা সদর হাসপাতালে।

আজ বিকালে কক্সবাজার শয্য জেলা সদর হাসপাতালের চতুর্থ তলায়।
একজন হার্ডের রোগী ইন্তেকাল করেন।

চতুর্থ তলা থেকে মৃতদেহ নিচে, নামানোর জন্য যে, ভ্যানগুলো ব্যবহার করা হয়,
রোগির স্বজনেরা সেই ভ্যানের জন্য উক্ত ওয়ার্ডের দায়িত্বরতদের কাছে গেলা উনারা নিচে যোগাযোগ করতে বলে। যখন নিচে রিসিপশনে যোগাযোগ করা হলে তারা, এ বিষয়ে জানে না বলে স্বজনদের তাড়িয়ে দেয়। পরবর্তীতে পুনরায় চতুর্থ তলায় দায়িত্বরতদের এই বিষয়ে জানালে তারা আবারও একি কথা বলে ফিরিয়ে দেয়।

এভাবে কয়েকবার উপরে-নিচে চেষ্টার পর একজন ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করলে ও কোন সুরাহা মিলে নি।

শেষ পর্যন্ত ঘন্টা কানিক পর লাশবাহী এম্বুলেন্সে থেকে লাশ রাখার ভ্যান নিয়ে ৫-৬ জনে বহন করে চতুর্থ তলা থেকে মৃতদেহ নিচে নিয়ে আসে।

আবার,
রোগীর সাথে থাকা স্বজনদের কাছে যানতে চাইলে তারা বলে, রোগীদের কোন ভাবে সরকারি সুযোগ সুবিধা দেওয়া হয় না।
যতক্ষণ পর্যন্ত না তাদের কে খুশী করা না হয়, কি রকম খুশী? কথা দিয়ে, না, তাদের খুশী হচ্ছে টাকা।

ভুক্তভোগীরা জানান, ওয়ার্ড ভয় থেকে শুরু করে জি এম পর্যন্ত কারো ব্যবহার ঠিক নেই।
যারা জনগণের সেবক, তারা এখন ভক্ষক হয়েগেছে।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে কক্সবাজার জেলার সাধারণ জনগণের একমাত্র জোর দাবি হচ্ছে, এই রকম ভক্ষকদের বিদায় করে নতুনভাবে জনগনের সেবাকারী লোকদের নিয়োগ দিয়ে, সাধারণ জনগণের শান্তির আবাসন সৃষ্টি করা হলে, তারা ভালোভাবে সেবা পাবে বলে মনে করেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
Customized BY NewsTheme