1. admin@coxtimes.com : admin :
শিরোনাম :
সচেতনতায় পুলিশ মাঠে…. করোনার প্রাদুর্ভাব বাড়লেও ঈদগাঁওতে বাড়েনি মানুষের মাঝে সচেতনতা ঈদগাঁওর জনগণকে স্বাস্থ্যবিধি মানাতে মাঠ পর্যায় ইউএনও ঈদগাঁওর বাঁশঘাটায় তিনটি দোকান সিলগালা বাঁশখালী ছনুয়ার মানুষের যোগাযোগ সড়কের বেহাল দশা অবসানের পথে ইসলামাবা‌দের আ‌লো‌চিত জবর মুল্লুক হত্যা মামলার আসামী‌দের রিমা‌ন্ডে নি‌তে গ‌ড়িম‌সি পু‌লি‌শের ! ঈদগাঁও বাজা‌রে সড়‌কের উপর দোকান নির্মাণ, ভূ‌মি অ‌ফি‌সের নি‌ষেধাজ্ঞা ইসলামের প্রচার-প্রসারে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি: শেখ হাসিনা। হ্নীলার দালাল আবছার রোহিঙ্গা নারীসহ বিমানবন্দরে আটক। জনগণের দুর্ভোগ লাগব করতে দ্রুত টেকসই সড়ক উপহার দিবো -কউক চেয়ারম্যান বিষপানে পুত্রবধূ নাসরিনের আত্মহত্যা সাংসদের ওয়ার্ডের রাস্তার ইট বিক্রি করে দিল মেম্বার! ইসলামবাদে (ব্র্যাক)আইন সহায়তা বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত শিশু মীম বাঁচতে চাই

  • আপডেট টাইম: Thursday, March 11, 2021
  • 71 বার পড়া হয়েছে

কক্সবাজার প্রতিনিধি;

কক্সবাজার কুতুবদিয়া উপজেলার বড়ঘোপ ইউনিয়নের দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত (ব্লাড ক্যান্সার) শিশু মীম(৩) বাঁচতে চায়। অথচ এ সময়ে শিশুটি মায়ের কোলে খেলাধুলায় ব্যস্ত থাকার কথা। কিন্তু ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস সে এখন হাসপাতালের বেডে শুয়ে সুন্দর পৃথিবীতে বেঁচে থাকার আকুতি জানাচ্ছে। মীম কুতুবদিয়া উপজেলার বড়ঘোপ ইউনিয়নের ০৭ নং ওয়ার্ডের আজম কলোনী গ্রামের দরিদ্র সেলিম উদ্দিন ও রফিকা বেগমের মেয়ে।

হতদরিদ্র সেলিম উদ্দিনের ৩ জন ছেলে-মেয়ের মধ্যে মীম সবার ছোট। চলিত বছরের ফেব্রুয়ারিতে মীম হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে কক্সবাজার শেভরণ ক্লিনিকে নিয়ে গেলে ওই ক্লিনিকের চিকিৎসকদের পরামর্শে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে মীমের ব্লাড ক্যান্সার ধরা পড়ে। এরপর উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি ও বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর ওই শিশু মীমের ব্লাড ক্যান্সার রোগ হয়েছে বলে জানান ডা: গোলাম রাব্বানী।

এরপর থেকে মেয়ের ব্যয় বহুল চিকিৎসা খরচ চালাতে সর্বস্বান্ত হয়ে গেছে সেলিম উদ্দিন। এখন মেয়ের চিকিৎসা করা তাদের দুঃসাধ্য হয়ে পড়েছে। বর্তমানে দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত শিশুটির চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ২ য় তলার ১৪ নং বেডে ভর্তি আছে এবং শিশু হিমোটলজি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. গোলাম রাব্বানীর তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা চলছে।

চিকিৎসকরা জানান, কেমোথেরাপি, হিমোগ্লোবিন ও দামি ইনজেকশনের মাধ্যমে এসব রোগীর ক্ষেত্রে প্রায় ৩ বছর বা তারও বেশি সময় চিকিৎসা করা প্রয়োজন হয়ে পড়ে। এই চিকিৎসা অত্যন্ত ব্যয় বহুল, যা যে কারো পক্ষে সম্ভব হয় না। এখন মেয়ের চিকিৎসা খরচ বহন করা দরিদ্র পরিবারের পক্ষে সম্ভব নয়। তাই মীমকে বাঁচাতে বিত্তবানদের সহযোগিতা কামনা করে সাহায্যের আকুতি জানিয়েছেন। সহযোগিতার জন্য যোগাযোগ করতে পারেন মীমের বাবার এই মোবাইল ০১৮৬০৮৫২৫২২ নাম্বারে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
Customized BY NewsTheme