1. admin@coxtimes.com : admin :
শিরোনাম :
সচেতনতায় পুলিশ মাঠে…. করোনার প্রাদুর্ভাব বাড়লেও ঈদগাঁওতে বাড়েনি মানুষের মাঝে সচেতনতা ঈদগাঁওর জনগণকে স্বাস্থ্যবিধি মানাতে মাঠ পর্যায় ইউএনও ছয় দফা দাবীতে সিবিআইইউ শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন। ইসলামাবাদে গভীর রাতে সশস্ত্র হামলাঃনগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুটের অভিযোগ! পশ্চিম টেকপাড়া সমাজকল্যাণ পরিষদ কর্তৃক শহর পুলিশ ফাঁড়ি কক্সবাজার এর সাথে মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। ঈদগাঁও প্রেস ক্লাবের জরুরী সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত ঈদগাঁওতে পরিবেশ আন্দোলনের মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত। ঈদগাঁওর বাঁশঘাটায় তিনটি দোকান সিলগালা বাঁশখালী ছনুয়ার মানুষের যোগাযোগ সড়কের বেহাল দশা অবসানের পথে ইসলামাবা‌দের আ‌লো‌চিত জবর মুল্লুক হত্যা মামলার আসামী‌দের রিমা‌ন্ডে নি‌তে গ‌ড়িম‌সি পু‌লি‌শের ! ঈদগাঁও বাজা‌রে সড়‌কের উপর দোকান নির্মাণ, ভূ‌মি অ‌ফি‌সের নি‌ষেধাজ্ঞা ইসলামের প্রচার-প্রসারে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি: শেখ হাসিনা।

মাতারবাড়ির ইয়াবাকারবারি ডন আব্দু শুক্কুর কক্সবাজারে

  • আপডেট টাইম: Thursday, March 25, 2021
  • 91 বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

পর্যটন জেলা হিসাবে বহুল পরিচিত কক্সবাজার এখন মরণ নেশা ইয়াবার তকমায় পৃথক পরিচিতি পাচ্ছে।জেলার বিভিন্ন উপজেলায় মাদক ব্যবসায় ঝুকে পড়েছে সিংহভাগ যুবকরাই।কেউ কেউ পূর্বের ব্যবসা ছেড়ে মোটা অংকের টাকা অর্জনে এ ব্যবসায় নাম লিখাচ্ছে।মরণ নেশা এ ব্যবসায় সক্রিয় রয়েছে অনেক পেশাজীবীও।দ্বীপাঙ্চলীয় উপজেলা মহেশখালীর বিভিন্ন ইউনিয়নেও ইয়াবাকারবারির অভাব নেই।লবন ও মৎস্য ব্যবসার আড়ালে কতিপয় ব্যক্তি দীর্ঘদিন যাবৎ এ ব্যবসা অব্যাহত রেখে কাড়ি কাড়ি টাকায় ধনী বনেগেছে। উপজেলার মাতারবাড়ি ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের পশ্চিম সিকদার পাড়া (সাবেক মহিলা মেম্বারের বাড়ী) এলাকার মকবুল আহমদের ছেলে আব্দু শুক্কুরও এ ব্যবসায় নামযশ কুড়িয়েছে প্রচুর।সিন্ডিকেট ভিত্তিক ইয়াবা পাচারে অঢেল টাকা ও সম্পদের মালিক বনে গেলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকছে বারবার। এই শুক্কুর গ্রামের বাড়িতে একেবারেই যান না।ইয়াবা ব্যবসা আরো সম্প্রসারণের উদ্দ্যেশে কক্সবাজার শহরের অভিজাত আবাসিক হোটেলে নিয়মিত থাকেন তিনি। এই শুক্কুর একটি সিন্ডিকেট গঠন করে লবন বোঝাই বোটে মাতারবাড়ী থেকে চট্টগ্রাম সহ বিভিন্ন এলাকায় পৌছে দিচ্ছে ইয়াবা।এভাবে ২/১ বছর নির্বিঘ্নে এ ব্যবসা করে তিনি রীতিমত কোটি টাকার মালিক বনেগেছে ইতিমধ্যে।ধুরন্ধর ইয়াবাকারবারী শুক্কুর কারো জিঙ্গাসাবাদে অধিগ্রহণের চেকের জন্য কক্সবাজারে থাকতে হচ্ছে জাহির করলেও মুলত তার এই অবৈধ ইয়াবা ব্যবসার মুল বিষয়টিকে কৌশলে এড়িয়ে যাচ্ছে।একাধিক সূত্র জানিয়েছে এই শুক্কুর ইয়াবা সেবন করেই কাড়ি কাড়ি টাকার লোভে আলাদ্দিনের চেরাগের স্বপ্নের ন্যায় ইয়াবা ব্যবসায় জড়িয়ে গেছে।শুক্কুর শুধু নিজে নয় এ ব্যবসা নিরাপদ রাখতে এবং আইনী বাহিনীকে ফাকি দিতে আরোও ৩/৪ জনকে তার সিন্ডিকেটভুক্ত করেছে।তাদেরই একজন মাতারবাড়ি এলাকার কাউসার।এই কাউসার গত ২০১৫ সালে ঢাকায় একটি ইয়াবার বড় চালান নিয়ে ধরা পড়লেই এলাকায় সিন্ডিকেটের প্রধান হুতা শুক্কুরের ইয়াবা ব্যবসার গুমর ফাঁশ হয়ে পড়ে।

কাউসার ধরা পড়ার পর সুচতুর শুক্কুর তার পরিবারকে নানাভাবে চাপ প্রয়োগ করে আইনী জিঙ্গাসাবাদে তার সম্পর্কে টু শব্দটি না করার জন্য।শুধু তাই নয়, স্বীকারোক্তি দিলে তাকে জামিনে না ছাড়ারও হুমকি ধমক দেয় এই শুক্কুর কাউসারের পরিবারকে।কাউসারের ইয়াবা চালান নিয়ে আইনী বাহিনীর কাছে ধরা পড়ার পর থেকেই মাতারবাড়ির গ্রামের বাড়ি ত্যাগ করেন শুক্কুর। স্বপরিবারে কক্সবাজার শহরেই তার নতুন ঠিকানা হয়ে উঠে। এখানে এসে পরিবারের অন্যদের বিলাশবহুল ভাড়াফ্লাটে রাখলেও আইনের কাছথেকে নিজেকে রক্ষার কৌশলে আবাসিক বিভিন্ন হোটেল পালাবদলে রাত কাটায় ইয়াবাকারবারি শুক্কুর।এই শুক্কুর অভিজাত হোটেল সারাক্ষণই অবরুদ্ধ থাকে বলেও জানাযায়। বর্তমানে-লালদীঘির উত্তর পাড়ের পশ্চিম প্রান্তের একটি ভবনের ৫ম তলার একটি ফ্লাটে বসে নিয়মিত ইয়াবা বিকিকিনি ও পাচারে সক্রিয় রয়েছে বলে নির্ভর যোগ্য সুত্র জানিয়েছে।

দীর্ঘদিন যাবৎ বঙ্গবন্ধু সড়কের অভিজাত হোটেলের বিভিন্ন কক্ষ এই শুক্কুর বসবাস করে আসছে। সেই হোটেলের একটি কক্ষে শুক্কুরের ইয়াবা সেবন ও পেকেটে মুড়ানো ইয়াবা গোনার একটি চিত্র আমাদের হস্তগত হলে শুক্কুরের আসল অপকর্ম ফাশ হয়ে পড়লে এর অনুসন্ধানে তার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ ও ইয়াবা ব্যবসার সক্রিয় থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে পড়ে।

মাতারবাড়ী এলাকার ২নং ওয়ার্ডের মেম্বার মুজিবের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তারা তিনবন্ধু সিন্ডিকেটে ব্যবসা করতো শুনেছি। তবে শুক্কুর এখন মাতারবাড়ীতে থাকে না, সে অধিগ্রহণের টাকা তুলতে সে-যে গেছে কক্সবাজারে আর আসে নাই। বর্তমানে কক্সবাজারে থাকে জানি। আর কাউসার বিগত দুই থেকে তিনমাস আগে ইয়াবা মামলায় জামিনে এসে এলাকায় বসবাস করতেছে।

মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ আবদুল হাই বলেন, এ বিষয়ে তিনি অবগত নন। তবে সরকারের মাদক বিরোধী চলমান অভিযানে কেউ রেহাই পাবেনা।

কক্সবাজার সদর মডেল ওসি শেখ মনিরুল গিয়াস বলেন,উপজেলা ভিত্তিক ইয়াবাকারবারিরা জেলা শহরকে তাদের ব্যবসার স্বাচ্ছন্দ্যতা মনে করলেও পুলিশ বাহিনী তাদের এ খায়েশ পুরণ করতে দেবে না।শুক্কুরের বিষয়টিও আমাদের নজরে এসেছে।তথ্য উপাত্ত দিয়ে সহযোগীতা করলে তাকেও শীগ্রই আইনের শেকল পরানো হবে।
এনিয়ে অভিযুক্ত শুক্কুরের প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হলেও তার মুটোফোনটি বন্ধ থাকায় তা সম্ভব হয়নি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
Customized BY NewsTheme