1. admin@coxtimes.com : admin :
শিরোনাম :
সচেতনতায় পুলিশ মাঠে…. করোনার প্রাদুর্ভাব বাড়লেও ঈদগাঁওতে বাড়েনি মানুষের মাঝে সচেতনতা ঈদগাঁওর জনগণকে স্বাস্থ্যবিধি মানাতে মাঠ পর্যায় ইউএনও ঈদগাঁওর বাঁশঘাটায় তিনটি দোকান সিলগালা বাঁশখালী ছনুয়ার মানুষের যোগাযোগ সড়কের বেহাল দশা অবসানের পথে ইসলামাবা‌দের আ‌লো‌চিত জবর মুল্লুক হত্যা মামলার আসামী‌দের রিমা‌ন্ডে নি‌তে গ‌ড়িম‌সি পু‌লি‌শের ! ঈদগাঁও বাজা‌রে সড়‌কের উপর দোকান নির্মাণ, ভূ‌মি অ‌ফি‌সের নি‌ষেধাজ্ঞা ইসলামের প্রচার-প্রসারে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি: শেখ হাসিনা। হ্নীলার দালাল আবছার রোহিঙ্গা নারীসহ বিমানবন্দরে আটক। জনগণের দুর্ভোগ লাগব করতে দ্রুত টেকসই সড়ক উপহার দিবো -কউক চেয়ারম্যান বিষপানে পুত্রবধূ নাসরিনের আত্মহত্যা সাংসদের ওয়ার্ডের রাস্তার ইট বিক্রি করে দিল মেম্বার! ইসলামবাদে (ব্র্যাক)আইন সহায়তা বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

ইসলামাবাদের আলোচিত জবর মুল্লুককে হত্যার পর পরিবারকে মিথ্যা মামলায় দিয়ে হয়রানি করার অভিযোগ

  • আপডেট টাইম: Tuesday, June 8, 2021
  • 164 বার পড়া হয়েছে

মোঃ কাউছার ঊদ্দীন শরীফ ঈদগাঁও,কক্সবাজার।

কক্সবাজার সদর উপজেলা ইসলামাবাদের আলোচিত জবর মুল্লুক খুনের আট মাস পরও আসামি আটক করতে পারে হয়নি ঈদগাঁও থানা পুলিশ।এতে বেপরোয়া ঘাতক পক্ষের মিথ্যা মামলায় দিয়ে হয়রানি করাসহ হুমকিতে বাদি পরিবার চরম নিরাপত্তা হীনতায় দিন যাপন করছে বলে দাবি করছে। এতে করে জনমনে প্রশাসনের ভুমিকা চরম প্রশ্নের সৃষ্টি করছে।

প্রাপ্ত তথ্যমতে,বর্ণিত ইউনিয়নের ইউছুপেরখীল এলাকার নৃশংস খুনের শিকার নিরীহ জবর মুল্লুকের ছেলে শাহাদত হোসেন অভিযোগে জানা যায়, তার বাবাকে আট মাসেরও অধিক সময় পূর্বে দিনদুপুরে স্থানীয় চিহ্নিত সন্ত্রাসী ফেরদৌস বাহিনীর ফেরদৌস ও তার সন্ত্রাসী পুত্র নুরুল আমিনের নেতৃত্বে ঘাতক চক্র নির্মম ভাবে উপুর্যুপরি আঘাতে গুরুতর আহত করে।পরে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।ঘটনার পর তার মা হামিদা বেগম বাদি হয়ে কক্সবাজার মডেল থানায় জড়িত খুনিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করে।

খুনের ঘটনার পর দীর্ঘ আট মাস অতিবাহিত হলেও রহস্যময় কারণে এখনো পর্যন্ত কোন খুনি আটক হয়নি। এমনকি আলোচিত এ মামলার চার্জশিটও দেয়া হয়নি। তিনি আরো দাবি করেন,বিভিন্ন সময় এ খুনিদেরকে আটকে অভিযান পরিচালনার জন্য দায়ীত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে সহযোগিতার চেষ্টা করলে রহস্যজনক ভাবে বারবার উক্ত কর্মকর্তা গড়িমসি করতে থাকেন।এ সুযোগে খুনি চক্রের একাধিক সদস্য আচমকা এলাকায় এসে মিথ্যা মামলা দায়ের করা সহ উল্টো বাদি পরিবারকে বিভিন্ন ভাবে হুমকি দিতে থাকে। এতে তারা চরম নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছে বলে দাবি করেন।সর্বশেষ দিবালোকে সংঘটিত এ খুনের ঘটনাকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে বাদি পক্ষকে চাপে রাখার জন্য চলতি মে মাসের শুরুর দিকে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ঈদগাঁও, কক্সবাজার এ খুনের মামলার দুই নং আসামীর স্ত্রী রিফা আক্তারকে বাদি করে আকাশি একটি ঘটনা উপস্থাপন করে নিহত জবর মুল্লুকের ছেলে শাহাদত হোসেনকে প্রধান আসামী করে খুনের মামলার অপরাপর স্বাক্ষী ও তার পরিবারের অন্য আত্মীয় স্বজনদের বিরুদ্ধে হয়রানি মুলক একটি পরিকল্পিত সাজানো নালিশী দরখাস্ত দায়ের করে। যার সূত্র – সি.আর-২৯৬/২০২১ ইং। যে দরখাস্তে খুনের মামলার ২ নং আসামী নুরুল আমিনকে ৬ নং স্বাক্ষী দেয়া হয়েছে। যাতে তার নাম প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে নুরুল আমিন এর স্থলে মোহাং আমিন এবং পিতার নাম ফেরদৌস এর স্থলে মোঃফিরোজ লেখা হয়েছে। ৮ নং স্বাক্ষী হিসেবে খুনের মামলার ৬ নং আসামী ছেনুয়ারা এবং ৯ নং স্বাক্ষী হিসেবে খুনের মামলার ৫ নং আসামী আরমানকে দেখানো হয়েছে। শাহাদাত হোসেন আরো দাবি করেন, খুনিরা এলাকায় না আসলে উক্ত ষড়যন্ত্রমুলক দরখাস্তে উল্লেখিত ঘটনায় খুনিরা কিভাবে স্বাক্ষী হয়। থানা পুলিশের পক্ষ থেকে হত্যা মামলার আসামীদের আটকে এ যাবত কার্যকর কোন পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি।বরং আসামী ধরার জন্য অনুরোধ করলে তিনি উল্টো তিনি নিহতের পরিবারের সদস্যদের নিকট আসামীদের তথ্য চান। বাদি পারিবারের দাবি, তাহলে মামলায় পুলিশের ভুমিকা কি! শাহাদাত হোসেন আফসোস করে বলেন,তারা গরীব ও নিরীহ হওয়ায় এবং খুনি চক্র অঢেল টাকার মালিক হওয়ায় রহস্যজনক ভাবে এখনো আইনের আওতায় আসেনি।বরং উল্টো খুনের মামলার ২ নং আসামী নুরুল আমিনকে ভিন্ন নামে উপস্থাপন করে স্ত্রী রিফা আক্তারকে বিবাদী করে তাদের বিরুদ্ধে আদালতে ষড়যন্ত্র মুলক নালিশী দরখাস্ত দায়ের করে তাদের হয়রানি করে হত্যা মামলাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহের অপচেষ্টা করে যাচ্ছে। এমনকি হত্যা কান্ডের আসামির স্ত্রীর দায়ের দরখাস্তে বাদি স্বাক্ষী হিসেবে স্বামীর নাম বিকৃত করে আদালত এবং প্রশাসনকেও প্রতারিত করার অপচেষ্টা করেছে। নিহত পরিবারের বিরুদ্ধে করা দরখাস্তের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে ঈদগাঁও থানার এস আই রেজাউলকে। শাহাদাত হোসেন আরো অভিযোগ করেন, হত্যাকান্ডের আসামিরা বিপুল অর্থের মালিক হওয়ায় উভয় মামলার কর্মকর্তাদের তাদের পক্ষে প্ররোচিত করার অব্যাহত চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

উল্লেখ্য,গেল বছরের ৩১ অক্টোবর পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে সংঘবদ্ধ খুনি চক্র উপুর্যুপরি আঘাতে জবর মুল্লুকসহ তার সন্তানদের গুরুতর আহত করে।পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায়৷ জবর মুল্লকের মৃত্যু হয়। যার হত্যা মামলা নং- ১৬/৮২২। এদিকে এ আলোচিত খুনের ঘটনার ৮ মাস অতিবাহিত হলেও কোন আসামি আটক না হওয়ায় খুনি চক্র আরো বেপরোয়া হয়ে উঠেছে বলে নিহতের পরিবার ও সচেতন এলাকাবাসী দাবি।তারা অবিলম্বে আসামি আটকে উর্ধতন প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন এবং খুনি চক্রের দায়ের করা সাজানো দরখাস্ত থেকে নিহতের পরিবারকে রেহাই দিয়ে, দিবালোকে সংঘটিত খুনের সাথে জড়িত আসামীদের অবিলম্বে আটকে উর্ধতন কতৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
Customized BY NewsTheme